• Fee Pay | Credit Card Service
  • Study in China with Scholarship
  • call for advertisement
  • call for advertisement
এবার মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ন শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ পাঠালো শতাব্দী রায় নামের এক শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল, জেএসসি-এসএসসি মূল্যায়নে ডিসেম্বর মাসে ফল প্রকাশ করা হবে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির নবীনবরণ অনলাইনে অনলাইনে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হল সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি নিয়ে মিডটার্ম পরীক্ষা চালাচ্ছে আইএসইউ সাউথইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে সাপ্তাহিক ফেইসবুক লাইভ স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির অনন্য উদ্যোগ স্কুল বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার থেকে ক্লাস চলবে টিভিতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন আবুজর গিফারী কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে ভর্তির জন্য যোগাযোগ-০১৭১৯৪৮১৮১৮ All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • PSL| Higher Study in India

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দিনে সরকারি, রাতে বেসরকারি: রাষ্ট্রপতি

Online Desk | December 10, 2019 12:04:24 PM
ঢাবি সমাবর্তনের একাংশ

ঢাবি সমাবর্তনের একাংশ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান সান্ধ্য কোর্সের সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন দিনে সরকারি আর রাতে বেসরকারি চরিত্র ধারণ করে। সান্ধ্যকালীন কোর্স বিশ্ববিদ্যালয়কে মেলায় পরিণত করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি শুনেছি, তাদের একটা বিষয় ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস। এতে তাদের ২২টা কোর্স। প্রতি কোর্সে সাড়ে ১০ হাজার টাকা। এতে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকার উপরে হয়। এর অর্ধেক শিক্ষকরা পান, আর অর্ধেক বিভাগ পায়। বিভাগের টাকা কী হয় জানি না, কিন্তু শিক্ষকরা পাচ্ছেন। আমি এটাও জানি, যাদের শুধু পিএইচডি আছে, শুধু তারাই ক্লাস নেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ইভিনিং কোর্সের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সন্ধ্যার পরে মেলায় পরিণত হয়। বাণিজ্যিক ও সান্ধ্যকালীন কোর্সের কারণে দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন দিনে ‘সরকারি’ আর রাতে ‘বেসরকারি’ চরিত্র ধারণ করেছে। এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। কিছু শিক্ষক নিয়মিত কোর্সের ব্যাপারে অনেকটা উদাসীন।

গতকাল সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কসমিক রে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক তাকাকি কাজিতা। এতে তাকে সম্মানসূচক 'ডক্টর অব সায়েন্স' ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহিদুল্লাহ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিনেট সদস্য, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন ডিপার্টমেন্ট, সান্ধ্য কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্স ও ইনস্টিটিউটের ছড়াছড়ি। নিয়মিত কোর্স ছাড়াও এসব বাণিজ্যিক কোর্সের মাধ্যমে প্রতিবছর হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। এসব ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষার্থীরা কতটুকু লাভবান হচ্ছেন, এ ব্যাপারে প্রশ্ন থাকলেও একশ্রেণির শিক্ষক কিন্তু ঠিকই লাভবান হচ্ছেন। তাঁরা নিয়মিত নগদ সুবিধা পাচ্ছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি সার্বিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন দিনে সরকারি আর রাতে বেসরকারি চরিত্র ধারণ করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সন্ধ্যায় মেলায় পরিণত হয়। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু সান্ধ্য কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্স ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকরা খুবই সিরিয়াস। কারণ, এগুলোতে নগদ প্রাপ্তি থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞান অর্জন হলেও তা একমাত্র লক্ষ্য নয়। কারণ কর্মবিমুখ শিক্ষা মূল্যহীন। শিক্ষাকে কার্যকর করতে হলে এর সঙ্গে কর্মের সংযোগ ঘটাতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার, বিজ্ঞানের নব নব আবিস্কার বিশ্বকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যে জাতি যত বেশি খাপ খাইয়ে নিতে পারছে, সে জাতি তত বেশি উন্নতি করছে। আর এই পরিবর্তনে মুখ্য ভূমিকা রাখে যুব সমাজ। তারা হচ্ছে জাতির 'চেঞ্জমেকার'।

সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদেরও সমালোচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের টাকায় পরিচালিত হয়—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু জনগণের টাকায় চলে, এর জবাবদিহিও জনগণের কাছে। জনগণের এই অর্থে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তের যেমন ভাগ আছে, তেমনি ভাগ আছে কৃষক-শ্রমিক মেহনতি মানুষের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি পয়সার সততার সঙ্গে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব উপাচার্য ও শিক্ষকদের। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান অভিভাবক ও একাডেমিক লিডার। কিন্তু কোনো কোনো উপাচার্য ও শিক্ষকের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আসল কাজ কী, তা তাঁরা ভুলে গেছেন। গবেষণা হচ্ছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ। গবেষণার মান নিয়েও এখন নানা কথা ওঠে। পদোন্নতির জন্য গবেষণা, নাকি মৌলিক গবেষণা, তাও বিবেচনায় নিতে হবে। প্রশাসনিক পদ-পদবি পেয়ে অনেক শিক্ষকই এখন নিজেদের শিক্ষক পরিচয় ভুলে যান।

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি, ‘সম্প্রতি দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া অমানবিক ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার্থীদের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করে জ্ঞান অর্জনের জন্য, লাশ হয়ে বা বহিষ্কৃত হয়ে ফিরে যাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় না। কর্তৃপক্ষ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে এসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হতো। তাই কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না। আমি আশা করব, ভবিষ্যতে কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের মা-বাবা অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেন। এমন অনেক পরিবার আছে, যারা সর্বস্ব দিয়ে তাদের ছেলেমেয়েদের মানুষ করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান। তোমাদের মূল দায়িত্ব হলো লেখাপড়া করা এবং দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা। তোমরা এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তোমাদের পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়।

আগামী সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধুকে সম্মানসূচক 'ডক্টর অব লজ' ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। এ সময় তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন দেওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনকে আমি অনুরোধ করেছিলাম। তারা আমার কথা রেখেছেন। তবে এই নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে যেন নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে এবং এটি যেন আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার কথা বলার কথা না। এ নিয়ে কথা বলা উচিত ডাকসু নেতাদের। তারা তো কথা বলেনই না বরং তাদের নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়। আমার এসব ভালো লাগে না। তাদের কাছ থেকে আমি ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কথা শুনতে চাই।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কথা বলেছিলাম। সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি দেখিনি। এ বিষয়ে কাজ করতে আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার আগে অনেক শিক্ষার্থী জাতীয় ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এরকম শিক্ষার্থীর মধ্যে অনেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। তখন তাদের আগে ভর্তি হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভর্তি বাতিল করতে হয়। এক্ষেত্রে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নানা ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হয়। এ জন্য ডিসেম্বরের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত। তাহলে শিক্ষার্থীরা এসব হয়রানির শিকার হবে না।

ঢাবি ফার্মাসি অনুষদ ও অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমানে লক্ষ্য করেছি, এদেশের ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো উঁচুমানের ওষুধ বিদেশে পাঠায় আর কম মানসম্পন্ন ওষুধগুলো ঢাকার জন্য রাখে। অন্যদিকে, আরও কম মানের ওষুধগুলো মফস্বলে পাঠায়। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন হতে হবে। তা না হলে জাতি গভীর সংকটে পড়বে।

সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছিল মনোরম সাজে। বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও ভবন ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। কালো গাউন পরে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করেন। দিনভর ছবি তোলা, বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা, হৈচৈ ও কোলাহলে মেতে থাকেন সবাই। এবারের সমাবর্তনে ২০ হাজার ৭৯৬ জন গ্র্যাজুয়েট অংশগ্রহণ করেন। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৭৯ জন কৃতী শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক, ৫৭ জনকে পিএইচডি, ছয়জনকে ডিবিএ এবং ১৪ জনকে এম ফিল ডিগ্রি প্রদান করা হয়। অধিভুক্ত সাত কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সরাসরি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
More detail about
Dhaka University

Submit Your Comments:
  • PSL | Study Abroad Assessment Free
  • PSL| Higher Study Oppertunity
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • Scholarship| Study in China
  • call for advertisement