• AUW | Admission Open
  • Bangladesh Malaysia Study Centre Ltd (BMSCL)
  • Fee Pay | Credit Card Service
  • City Consultancy Bangladesh Limited
  • call for advertisement
ঢাবির অপরাধতত্ত্ব বিভাগে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম শুরু ইবিতে 'ইংরেজী' ভাষা' কোর্সে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন শুরু একাদশের দ্বিতীয় ধাপেও ভর্তি বঞ্চিত ৪৭ হাজার রাবির আবাসিক হল খুলছে শনিবার স্নাতক পাস শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবে গ্রামীনফোন ভারতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় 'স্টাডি ইন ইন্ডিয়া' প্রতিনিধি দল বাংলাদেশী উদ্যোগতাদের অনুদান দেবে বিসিসি বিসিএসসহ সকল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন মুদ্রণ করবে পিএসসি সনদ জালিয়াতির অভিযোগে নাটোরে প্রধান শিক্ষক কারাগারে For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে Niet Polytechnic-Dhaka পলিটেকনিকে ভর্তি চলছে All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • Digital Marketing

দিনে ক্লাস, রাতে ভ্যানের চা বিক্রেতা

Online Desk | June 03, 2018
নিজের ভ্যানে চা বিক্রি করছে নাজমুল

নিজের ভ্যানে চা বিক্রি করছে নাজমুল

‘কোনো কাজকেই ছোট করে দেখা ঠিক নয়’ এ কথাটি মানুষকে শুধু মুখেই বলতে দেখা যায়। তবে এমন মানুষও রয়েছেন যারা এই কথাকে কাজে প্রমাণ করেছে। এমনই একজন মানুষ হচ্ছে নাজমুল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় চা বিক্রি করেন।

মাস তিনেক হলো চা বিক্রি করছেন নাজমুল। দিনে ক্লাস করেন। সন্ধ্যার পর ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চা বিক্রি করেন। প্রতিদিন দুই থেকে তিন শ টাকা আয় হয়।

মো. নাজমুল হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেই তিনি চা বিক্রি করেন। চা বিক্রির এই উপার্জনেই নাজমুল নিজে চলেন, সহায়তা করেন পরিবারকে।

নাজমুলের সাথে যখন কথা বলা হয়, তখন সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের সামনে চা বিক্রি করছিলেন। নাজমুলের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে অনেকের মতো নাজমুলও টিউশনি শুরু করেছিলেন। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ছাত্র ছিলেন বলে সম্মানী পেতেন কম। সেমিস্টার ফাইনাল কিংবা জরুরি প্রয়োজনেও অনেক সময় ছুটি পেতেন না। ঠিক এই ব্যাপারগুলোই মানতে পারেননি নাজমুল। তখন শুরু করেন এই চায়ের ব্যবসা।

‘কোনো কাজই ছোটো নয়’ এই কথাটি সবাই মুখে বলে বেড়ালেও কেউ কেউ তা করে দেখায়। এই করে দেখানোর মানুষদের একজন নাজমুল।

নিজের কাজের স্বাধীনতা, ইচ্ছে হলে কাজ করবেন না হলে করবেন না কিন্তু তার স্বাধীনতায় কেউ হস্পক্ষেপ করবেন না এই চিন্তা থেকেই নাজমুল এই বিশেষ ভ্যানটি বানিয়ে নিলেন আর কিনলেন চা বানানোর সরঞ্জাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে যেখানে সন্ধ্যার পর অনেকে আড্ডা দিতে আসে, সেখানে আরও দু–চারটি দোকানের পাশে ভ্যান নিয়ে বসে গেলেন নাজমুল। প্রথম দিন তাঁকে দেখে বন্ধু, পরিচিতজনেরা অবাক হয়েছিলেন। নানা জন নানা কথা বলেছিলেন। চা বিক্রি না করে কারও সহায়তা নেওয়ারও পরামর্শ দিলেন কেউ কেউ। কিন্তু সাহায্য চাওয়ার চেয়ে কাজটাকেই তিনি বেছে নিলেন।

নাজমুলের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন ভালো আছেন তিনি। এই কাজ শুরুর পূর্ব অভিজ্ঞতা জানিয়ে নাজমুল বলেন, মায়ের জমানো হাজার চারেক টাকা আর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সহায়তায় প্রথমে মুঠোফোন রিচার্জের কাজ শুরু করেছিলেন। বসতেন মিরপুর ১০ নম্বরের কাছেই। কিন্তু প্রতিদিন মিরপুরে যাওয়া-আসা, দোকান চালানো, পড়াশোনা...ঠিক কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না। তা ছাড়া ফুটপাতে ব্যবসারও আছে অনেক ঝামেলা। সব মিলিয়ে মুঠোফোন রিচার্জের দোকান বন্ধ করে দিলেন।

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit

অভাব–অনটনের কারণে একবার ভেবেছিলেন, পড়াশোনা ছেড়ে দেবেন। নাজমুল হোসেন ভাবলেন, ‘না, যেভাবেই হোক টিকে থাকতে হবে! শেষ করতে হবে পড়াশোনা।’ তখন চিন্তা করে বের করলেন, তিনি মোটামুটি চা বানাতে পারেন। তাহলে তা-ই সই!

কাজ শুরুর পর অন্যদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিন তাঁকে দেখে বন্ধু, পরিচিতজনেরা অবাক হয়েছিলেন। নানা জন নানা কথা বলেছিলেন। চা বিক্রি না করে কারও সহায়তা নেওয়ারও পরামর্শ দিলেন কেউ কেউ। কিন্তু সাহায্য চাওয়ার চেয়ে কাজটাকেই তিনি বেছে নিলেন। সব মিলিয়ে ভালো আছেন নাজমুল। নিজের মতো চলছেন।

নাজমুল জানান, ‘টাকা জমাতে পারলেই কিস্তিতে একটা মোটরবাইক কিনে নেব। কোনো একটি রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানের হয়ে দিনের একটা সময় মোটরবাইক চালাব।’ তবে যত দিন না তা হচ্ছে, তত দিন চা বিক্রি ছাড়া উপায় কী? স্বাধীনচেতা মন নিয়ে লেখাপড়া আর পেট—দুই যে তাঁকে চালাতে হবে!

নিজের গ্রামের বাড়ি নিয়ে গিয়ে বলতে গিয়ে নাজমুল বলেন, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাটের এক নিভৃত গ্রামে নাজমুল হোসেনদের বাড়ি। তবে এখন আর সেই বসতভিটা নেই। ২০১২ সালে নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ভিটাবাড়ি। নিরুপায় হয়ে নাজমুলের বাবা সাত্তার হাওলাদার ও মা নাজমা বেগম পাড়ি জমান গাজীপুরে। চার সন্তান নিয়ে ঘোর সংকটে পড়েছিলেন নাজমুলের মা-বাবা। সামান্য পুঁজি নিয়ে বাবা একটা ছোট মুদিদোকান দেন। এখনো সেই দোকানে কোনোরকমে সংসার চলে তাঁদের। নাজমুল হোসেন সবার বড়, কষ্টেসৃষ্টে পড়াশোনা চালিয়ে নিয়েছেন। গাজীপুর সদরের হাতিমারা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এখন থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে।



সুত্র: অনলাইন
More detail about
Dhaka University

  • call for advertisement
Submit Your Comments:
  • Career @ Edu Icon
  • call for advertisement
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • Overseas Ambition Solutions Limited
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • Personal Horoscope | Rashi12.com
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • call for advertisement