• RNR Bazar | Digital Marketing Agency
  • Bangladesh Malaysia Study Centre Ltd (BMSCL)
  • Institute of Science and Technology | Diploma in Engineering
  • Fee Pay | Credit Card Service
  • call for advertisement
  • call for advertisement
অধ্যাপক আবদুল মুকতাদির স্মারক বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৩ শিক্ষার্থী ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে ৪ দিনব্যাপী ভর্তি মেলা শুরু রাষ্ট্রায়ত্ত আট ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল স্নাতকে পড়াশুনার জন্য বৃত্তি দিচ্ছে সিঙ্গাপুরের নানিয়াং ইউনিভার্সিটি রুয়েটে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২০ জানুয়ারি ঢাবিতে আন্দোলনকারীদের সমন্বয়ককে থানায় সোপর্দ স্নাতক পাস কোর্সের ভর্তি শুরু আগামীকাল ২০১৭ সালের মাধ্যমিক ও সমমানের বৃত্তির ফল প্রকাশ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ০২ এপ্রিল আহ্সা‌নিয়া মিশনের সাথে ড্যাফোডিলের সমঝোতা চুক্তি For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে Niet Polytechnic-Dhaka পলিটেকনিকে ভর্তি চলছে All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • Digital Marketing

সমন্বয়হীনতায় ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ হারায় শিক্ষার্থীরা

Online Desk | September 18, 2017
ভর্তি পরীক্ষার প্রতিকী ছবি

ভর্তি পরীক্ষার প্রতিকী ছবি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অবহেলা দিন দিন বাড়ছে। প্রচলিত ভর্তি পদ্ধতিতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণে সমন্বয় নেই। একই দিনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে পরীক্ষাগুলো কোথাও একই সময়ে অথবা সকাল-বিকাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে চরম মানসিক চাপ ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরপর হয়, কিন্তু দেখা যায় সেখানে যাতায়াতের দূরত্ব বেশি হয়। এক্ষেত্রে অনেকসময় শিক্ষার্থীদের তাদের কাংখিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেয়া সম্বব হয় না। এই পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনেক শিক্ষার্থীই তাদের পছন্দের বিষয়টিতে ভর্তি হতে পারেন না। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তাঁর যোগ্যতা সাপেক্ষে সব ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত।
বর্তমানে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে আবেদন নিচ্ছে। সে কারণে ফরম বিতরণ বা এ কাজে ব্যয় কমেছে। কিন্তু কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই ফি না কমিয়ে বরং বাড়িয়েছে।

দেখা যায়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি ফরমের দাম ও বিষয়ভিত্তিক ভর্তি ফির অসামঞ্জস্য থাকায় বিপাকে পড়েন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিভাগ অনুযায়ী আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে পুরো টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করেও নেয় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়। এমন বিশ্ববিদ্যালয়ও আছে, যেখানে আবেদনকারী সব শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়া হয়। এভাবে অনেক পরিবারের অভিভাবককে একাধিক সন্তানের ব্যয় বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই হয়তোবা ভর্তিযুদ্ধে অংশই নিতে পারবেন না।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ ও অর্থনৈতিক বিষয়টি বিবেচনা করে ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু এক বছর চলে গেলেও এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয় নি।

এবছরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১৩ অক্টোবর সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ক’ ইউনিটের (বিজ্ঞান বিভাগ) ও একই দিন বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) পরীক্ষা এবং পরদিন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিতে সমন্বয় দেখা গেলেও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তেমন কোনো সমন্বয় লক্ষ করা যায় নি। বিজ্ঞানের একজন শিক্ষার্থীকে ২০ অক্টোবর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা শেষ করে পরদিন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) পরীক্ষা দিতে হলে প্রায় ৪০৩ কিলোমিটার রাস্তা ভ্রমণ করতে হবে। এর পরদিন ২২ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা হলে ওই শিক্ষার্থীকে আরও ৫২৫ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পরীক্ষা দিতে হলে আবার চট্টগ্রামে আসতে ৫১৩ কিলোমিটার এবং পরদিন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাইলে আরও ৪৬৮ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। অথচ ঢাকায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষার পর চট্টগ্রামে অবস্থিত চুয়েট ও চবিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সর্বোচ্চ ২৬০ কিলোমিটার পেরোতে হতো।

এক জরিপে দেখা যায়, অক্টোবর মাসে ১৫ দিনের মধ্যে ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে একজন শিক্ষার্থীকে প্রায় ২ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন প্রায় ২৯৫ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। নভেম্বরের ৩ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি),হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমরকৃবি), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা পরপর অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৯ দিনে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে বিজ্ঞানের একজন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে প্রায় ১ হাজার ৩৬৪ কিলোমিটার অর্থাৎ গড়ে প্রায় প্রতিদিন ২২৭ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। এরপর ১৭ থেকে ৩০ নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনসহ মোট ১৬ দিনে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে একই সময়ে অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি); ১৮ নভেম্বর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ও কুবি; ২৪-২৫ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এবং ২৬-৩০ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাটেবি) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে নভেম্বর মাসের অনেক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গড়ে প্রায় ২৫০ দশমিক ৫ কিমি পথ ভ্রমণ করতে হবে। ডিসেম্বর মাসে ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় গড়ে ২৪৯ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। ঢাকায় অবস্থিত বিজ্ঞানের একজন শিক্ষার্থীর সময় বা দূরত্ব বিবেচনা করে প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনেকটাই অসম্ভব হবে। এ ছাড়া কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরপর থাকায় অধিক দূরত্বের কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit
এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীকে সর্বোচ্চ ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রায় ৩ মাসে পরীক্ষার মধ্যে চারবার বাড়ি ফেরাসহ প্রায় ৬ হাজার ৮২২ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করতে হবে। বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটার ১ দশমিক ৭০ টাকা হারে ৬ হাজার ৮২২ কিলোমিটারের ভাড়া দাঁড়ায় প্রায় ১১ হাজার ৬০০ টাকা এবং একজন শিক্ষার্থী যদি সর্বোচ্চ ২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন তাহলে খাওয়া–থাকাসহ কমপক্ষে আরও প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। এই গাণিতিক হিসাবের পাশাপাশি আনুষঙ্গিক কিছু খরচ যেমন রিকশা বা অটোভাড়াসহ মোট খরচ হতে পারে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা।

কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত পরীক্ষাপদ্ধতি অতি দ্রুত চালু করতে দেরি হলে অন্ততপক্ষে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবকেরা সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় রুটিন এমনভাবে করতে পারেন, যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভোগান্তির শিকার না হন এবং একজন শিক্ষার্থী যোগ্যতা অনুযায়ী তাঁর পছন্দের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বা সব বিষয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন।

চীন, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিলসহ আরো অনেক দেশেই কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা চালু রয়েছে। বাংলাদেশে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার চাকরির পরীক্ষা, মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। যদিও বিষয়টি নিয়ে অনেক কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন, তবে দেশের যোগাযোগ, অধিক শিক্ষার্থী ও আর্থসামাজিক দিকগুলো বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বাধীনভাবে পরীক্ষা নেওয়ার অধিকার আছে। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তির বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে একযোগে অথবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিষয়ভিত্তিক গ্রুপে ভাগ করে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যেমন অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা একসঙ্গে করা যেতে পারে। একইভাবে প্রকৌশল এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সম্পাদন করা যেতে পারে। মানবিক ও বাণিজ্য শাখার বিষয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষাও একইভাবে করা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত ভর্তি ফরমের দাম ও বিষয়ভিত্তিক ভর্তি ফির মধ্যে সামঞ্জস্য রাখা। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তথা সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এখানে সমাজের আলোকিত মানুষেরা জ্ঞান বিতরণ করেন। তাঁদের বুদ্ধি, বিবেক ও বিচক্ষণতার কাছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ভর্তি পরীক্ষায় ভোগান্তি ও জটিলতা কাটিয়ে অতি দ্রুত সহজ ও অধিকতর কার্যকরী সমাধান আশা করেন।

  • call for advertisement
Submit Your Comments:
  • Career @ Edu Icon
  • call for advertisement
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • Overseas Ambition Solutions Limited
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • RNR Bazar | Digital Marketing Agency
  • Personal Horoscope | Rashi12.com
  • call for advertisement
  • call for advertisement