• Daffodil Polytechnic Institute: DPI
  • Fee Pay | Credit Card Service
  • Study in China with Scholarship
২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত; নির্দেশনা না মানলে এমপিও বাতিল: প্রধানমন্ত্রী অনশন ভাঙালেন শিক্ষামন্ত্রী, নন-এমপিওদের আন্দোলন স্থগিত মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ: প্রতিমন্ত্রী এমপিও বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী ইংরেজী শিক্ষকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স ফি দিলেও পরীক্ষা দিতে পারছে না ৪০ হাজার শিক্ষার্থী রাবিতে র‍্যাগিংয়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীকে মারধোরের অভিযোগ চতুর্দশ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করেছে জবি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে রাবির স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু রাবির ভর্তি পরীক্ষা: অভিভাবকদের থাকার ব্যবস্থা প্রশাসনের For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে Daffodil Polytechnic-Dhaka -তে ভর্তি চলছে All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • Digital Marketing

বৃটেনে বাংলাদেশিদের স্কলারশিপের পরিমাণ কমার সম্ভাবনা

Online Desk | July 16, 2016
বাংলাদেশিদের উপর ব্রেক্সিটের প্রভাব

বাংলাদেশিদের উপর ব্রেক্সিটের প্রভাব

বৃটেনে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও ব্রেক্সিট বিভিন্নভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। উচ্চশিক্ষার ওপর বিভিন্ন দিক থেকেই প্রভাব রাখবে ব্রেক্সিট।

ব্রেক্সিট অর্থাৎ ইইউ থেকে বৃটেনের বেরিয়ে যাওয়ার পেছনের প্রধান কারণগুলোর একটি হলো অভিবাসন নীতি। বৃটিশরা বর্তমান অভিবাসন নীতিকে আরো কঠোর করতে চায়। সেটা বাস্তবায়িত হলে উচ্চশিক্ষার্থে বৃটেনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে আগ্রহীদের জন্য নেতিবাচক বার্তা বয়ে আনতে পারে।

বিবিসি, গার্ডিয়ান, নিউ ইয়র্ক টাইমস, টাইমস হায়ার এডুকেশন ডটকম সূত্রে এই তথ্য জানাগেছে। ব্রেক্সিটের কারণে বৃটেনের অর্থনীতিতে মন্দাভাব এলে তারা শুরুতেই অভিবাসন নীতিতেই কঠোর হবে। বৃটেনে বাংলাদেশি অভিবাসীদের বড় একটি অংশই শিক্ষার্থী। অধ্যয়নকালীন পূর্ণকালীন বা খণ্ডকালীন কাজের ওপর তাদের নির্ভর করতে হয়।

বৃটেনের অর্থনীতিতে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়লে তখন এসব অভিবাসীর কাজ পাওয়ার সুযোগ ও সুবিধা কমবে। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য বৃটেন এখনকার মতো আর পছন্দনীয় না-ও থাকতে পারে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য। বৃটেনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষার্থী পড়তে যান তাদের আগ্রহের অন্যতম মূল একটি কারণ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে অবাধ যাতায়াত সুবিধা।

ব্রেক্সিটের ফলে ইইউ থেকে বৃটেন বেরিয়ে এলে বৃটেন থেকে অন্য দেশগুলোতে যাতায়াতের এই সুবিধা সম্ভবত থাকবে না। তখন ইউরোপের অন্য দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য যাওয়া অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে।

সেটাও শিক্ষার্থীদের অনেকটাই নিরুৎসাহিত করতে পারে। ব্রেক্সিটের পর বৃটেনে উচ্চশিক্ষার জন্য আরেকটি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাখাতের বরাদ্দ। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেকাংশেই এসব গবেষণা বরাদ্দের জন্য নির্ভর করে থাকে ইইউ তহবিলের ওপর। ব্রেক্সিটের পর এই তহবিল আর যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য উন্মুক্ত থাকবে না।

ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বরাদ্দের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। স্কলারশিপের পরিমাণ তাতে কমে যেতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে, তারা এসব গবেষণা বরাদ্দের পরিমাণ কমতে দেবে না। আর সেক্ষেত্রে হয়তো কোপ এসে পড়তে পারে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপরই, যাদের হয়তো এখনকার চেয়ে বেশি টিউশন ফি গুনতে হবে।

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit
তখন যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে এতদিন ধরে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করে আসছেন এবং তারা বহুজাতিক সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচিত করিয়েছেন।

সেই সুযোগটিও তখন কমে যেতে পারে। ইইউয়ে থাকার ফলে এখন যেমন চাইলেই যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্যাকাল্টি মেম্বার নিয়োগ দিয়ে থাকেন, তখন সেই সুযোগ কমে যাবে।

ফলে ইউরোপের সেরা শিক্ষার্থীরা এখন যেমন এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের সুযোগ পাচ্ছেন, তখন ততটা সুযোগ থাকবে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তখন পড়ালেখার মানও কমে যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাং কিংয়েও এসব বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে পড়তে পারে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

এসব আশঙ্কার বিপরীতে কিছু ইতিবাচকতার দেখাও মিলতে পারে। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ালেখার খরচ হিসাব করতে হয় বৃটিশ পাউন্ডে। ব্রেক্সিটের পরপরই পাউন্ডের দরপতন হতে শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, পাউন্ডের পতনের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তাতে করে বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিজ দেশের মুদ্রার সাপেক্ষে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়ালেখার খরচ খানিকটা কমে যাবে।

এটা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো একটি সুযোগ হতে পারে। তাছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য দেশগুলো থেকে যদি যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদনের প্রবণতা হ্রাস পায়, সেই সুযোগও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সহজেই গ্রহণ করতে পারে।

এখন পর্যন্ত ব্রেক্সিট ইস্যুতে এসব সম্ভাবনা ও আশঙ্কাগুলো অনিশ্চয়তার দোলাচলে ঘুরপাক খাচ্ছে। বৃটেনের জন্য এই সময়টি আসলে পালা বদলের। বিভিন্ন খাতের প্রতিকূলতা বৃটেন কতটা শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে পারবে, তার ওপরই নির্ভর করবে বৃটেনের উচ্চশিক্ষার পরিস্থিতিও।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাগুলো সত্যি হলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃটেনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সোনার হরিণই হয়ে উঠতে পারে। শেষ পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ করার সিদ্ধান্তের কথাই গণভোটে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যবাসীরা। তাতে করে এর মধ্যেই নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাবের কথা উঠে আসতে শুরু করেছে।

  • call for advertisement
Submit Your Comments:
  • Career @ Edu Icon
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • Personal Horoscope | Rashi12.com
  • call for advertisement